Promotion for football

জিওফ অ্যালারডাইস ICC CEO পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন

জিওফ অ্যালারডাইস আইসিসির প্রধান নির্বাহী পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন চার বছর দায়িত্ব পালন করার পর। তিনি বলেছেন, তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চান।

জিওফ অ্যালারডাইস ২০২১ সালের নভেম্বরে আইসিসির প্রধান নির্বাহী হন। এর আগে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান ছিলেন, কারণ তার পূর্বসূরি মনু সাহনিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তিনি ২০১২ সাল থেকে আইসিসিতে কাজ করছেন, এর আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন।

অ্যালারডাইস বলেছেন, “আইসিসির প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করাটা আমার জন্য সম্মানের ছিল। ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী প্রসার এবং আইসিসির সদস্যদের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারায় আমি গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আইসিসি বোর্ড, চেয়ারম্যান এবং পুরো ক্রিকেট কমিউনিটিকে ধন্যবাদ জানাই। এখন আমার সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময় বলে মনে করছি এবং আমি নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে চাই। আমি নিশ্চিত, ক্রিকেটের সামনে দারুণ সময় অপেক্ষা করছে এবং আমি আইসিসি ও বিশ্ব ক্রিকেটের সফলতা কামনা করি।”

জিওফ অ্যালারডাইসের বিদায়, জয় শাহর নতুন দায়িত্ব

জিওফ অ্যালারডাইসের বিদায়, জয় শাহর নতুন দায়িত্ব

জিওফ অ্যালারডাইস পদত্যাগের সময়টি জয় শাহর আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার শুরুর দিকের সময়ের সঙ্গে মিলে গেছে। জয় শাহ ১ ডিসেম্বর গ্রেগ বার্কলের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন।

শাহ বলেন, “আইসিসি বোর্ডের পক্ষ থেকে আমি জিওফকে তার নেতৃত্ব ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ক্রিকেটকে বিশ্বজুড়ে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা তার ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই।”

জিওফ অ্যালারডাইস তার কাজকে খুব বেশি প্রচারের আলোয় আনেননি, তবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসক ছিলেন। তিনি ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস) চালুর ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের আপত্তি কাটিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাধ্যতামূলক করতে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া, অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে নিয়ম তৈরি, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চালু এবং (এখন বন্ধ হয়ে যাওয়া) ওয়ানডে সুপার লিগ চালুর ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন।

তিনি যখন ২০২১ সালে প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেন, তখন কোভিড-১৯ মহামারির পর ক্রিকেট ঘুরে দাঁড়ানোর সময় ছিল। তার বড় অর্জনের মধ্যে অন্যতম হলো ক্রিকেটকে অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত করা। এছাড়া, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজন করাও ক্রিকেটের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল, যদিও সেই টুর্নামেন্টের ব্যবস্থাপনা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

আইসিসি জানিয়েছে, তারা শিগগিরই নতুন প্রধান নির্বাহী খুঁজতে কাজ শুরু করবে। তবে অ্যালারডাইস সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব ছাড়ছেন, নাকি ফেব্রুয়ারি-মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর বিদায় নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে আইসিসির শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সরে দাঁড়িয়েছেন, যার মধ্যে আছেন দুর্নীতি বিরোধী প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল, ইভেন্ট প্রধান ক্রিস টেটলি এবং মার্কেটিং ও কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান ক্লেয়ার ফারলং।

Scroll to Top